মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদে ভারতে শুরু হওয়া ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি)-র আন্দোলন আরও তীব্র হয়েছে। নয়াদিল্লির যন্তরমন্তর ছাড়িয়ে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে পার্লামেন্ট চত্বরেও। শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে শুরু হওয়া আন্দোলন এখন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের পদত্যাগের দাবিতেও রূপ নিয়েছে।

গতকাল কংগ্রেসসহ বিরোধী জোটের সংসদ সদস্যরা পার্লামেন্ট প্রাঙ্গণে বিক্ষোভ করেন। বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে কালো পোশাক পরে তারা শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ এবং আন্দোলনকারীদের ওপর পুলিশি হামলার বিচার দাবি করেন। সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদবও আন্দোলনের প্রতি সমর্থন জানিয়ে সরকারের সমালোচনা করেন।
এদিকে যন্তরমন্তরে অবস্থানরত আন্দোলনকারীরা জানিয়েছেন, ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ না করা পর্যন্ত তারা আন্দোলন চালিয়ে যাবেন। সিজেপির মুখপাত্র আশুতোষ রাঙ্কা বলেন, দেশের তরুণদের কণ্ঠরোধ করা যাবে না এবং আন্দোলন আরও জোরদার হবে।
আন্দোলন ঘিরে নিরাপত্তা জোরদার করেছে প্রশাসন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে দিল্লির অন্তত ১৬টি মেট্রো স্টেশন সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। পাশাপাশি আন্দোলনকারীদের ওপর অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের অভিযোগে দিল্লি পুলিশের সমালোচনা করেছে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালসহ বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা।
অন্যদিকে, আন্দোলনকারীদের ওপর পুলিশি নির্যাতনের অভিযোগে করা একটি আবেদনের জরুরি শুনানি নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট। তবুও যন্তরমন্তরে হাজারো শিক্ষার্থী ও সমর্থক অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছেন।
