মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় নয়াদিল্লিতে চলমান আন্দোলন আরও তীব্র হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে ফাস্ট-ট্র্যাক আদালত গঠনের ঘোষণা দিলেও আন্দোলনকারীরা শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে অনড় রয়েছেন। বৃহস্পতিবারও দিল্লির যন্তর মন্তরে হাজারো মানুষ বিক্ষোভে অংশ নেন।

এক্সে দেওয়া এক পোস্টে মোদি বলেন, প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত ও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছে। তবে বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী দাবি করেন, শুধু বিচার নয়, শিক্ষামন্ত্রীকে অপসারণ, শিক্ষার্থীদের কাছে ক্ষমা চাওয়া এবং আন্দোলনকারীদের ওপর হামলার সঙ্গে জড়িতদের শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
এদিকে আন্দোলনের নেতৃত্ব দেওয়া ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি) জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণায় তাদের অবস্থানের কোনো পরিবর্তন হয়নি। সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপ অভিযোগ করেন, আন্দোলন দমাতে সরকার পরিকল্পিতভাবে উসকানি দিচ্ছে।
বুধবার রাতে যন্তর মন্তরে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষে লাঠিচার্জ ও কাঁদানে গ্যাস ব্যবহার করা হয়। পুলিশের দাবি, সংঘর্ষে ছয় সদস্য আহত হয়েছেন। তবে বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। পরিস্থিতি উত্তপ্ত থাকলেও বৃহস্পতিবারও শিক্ষার্থীরা আন্দোলন চালিয়ে যান।
