১৯৬৬ সালের পর আবারও বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্নে বিভোর ইংল্যান্ড। সেই স্বপ্নের পথে সবচেয়ে বড় বাধা বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। আজ যুক্তরাষ্ট্রের আটলান্টায় বিশ্বকাপের হাইভোল্টেজ সেমিফাইনালে মুখোমুখি হবে ফুটবল বিশ্বের দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী।
গত ছয় দশকে মাত্র দুইবার বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে উঠতে পেরেছিল ইংল্যান্ড। এবার টমাস টুখেলের অধীনে ইতিহাস বদলানোর স্বপ্ন দেখছে হ্যারি কেইন, জুড বেলিংহ্যামরা। টানা দুই ইউরো ফাইনালে হার এবং দীর্ঘ শিরোপা-খরা কাটিয়ে বিশ্বমঞ্চে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করাই এখন তাদের লক্ষ্য।

ইংল্যান্ড-আর্জেন্টিনা দ্বৈরথ বরাবরই ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম আলোচিত অধ্যায়। ১৯৬৬ সালের বিতর্কিত ম্যাচ থেকে শুরু করে ১৯৮৬ বিশ্বকাপে ডিয়েগো ম্যারাডোনার ‘হ্যান্ড অব গড’, ১৯৯৮ সালে ডেভিড বেকহ্যামের লাল কার্ড এবং ২০০২ সালে ইংল্যান্ডের প্রতিশোধ—দুই দলের প্রতিটি লড়াইই তৈরি করেছে নতুন ইতিহাস।
আর্জেন্টিনার সবচেয়ে বড় ভরসা অধিনায়ক লিওনেল মেসি। ৩৯ বছর বয়সেও তার অভিজ্ঞতা, সৃজনশীলতা ও ম্যাচের ভাগ্য বদলে দেওয়ার ক্ষমতা প্রতিপক্ষের জন্য বড় হুমকি। অন্যদিকে ইংল্যান্ডের আক্রমণের নেতৃত্বে থাকবেন অধিনায়ক হ্যারি কেইন ও মিডফিল্ড তারকা জুড বেলিংহ্যাম। চলতি বিশ্বকাপে দলের বেশির ভাগ গোল এসেছে এই দুই ফুটবলারের কাছ থেকেই।
দুই দলের শক্তি, অভিজ্ঞতা ও ইতিহাস বিবেচনায় ম্যাচটি হতে যাচ্ছে জমজমাট। একদিকে আর্জেন্টিনা চাইবে টানা দ্বিতীয়বার ফাইনালে উঠতে, অন্যদিকে ১৯৬৬ সালের পর প্রথমবার বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন বাঁচিয়ে রাখতে মরিয়া ইংল্যান্ড।
