২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা দেশ ছাড়ার পর রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদে থাকা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। তবে সংবিধান অনুযায়ী তাঁর কাছেই শপথ নেয় ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার। পরে ২০২৬ সালের নির্বাচনের পরও বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার তাঁর কাছেই শপথ গ্রহণ করে।

বঙ্গভবনের একাধিক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে জানা গেছে, চলতি মাসের শুরুতে বিএনপি সরকারের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রপতিকে মৌখিকভাবে পদত্যাগের অনুরোধ জানানো হয়। সময় চাওয়ার পর তিনি শুক্রবার পদত্যাগ করতে পারেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর দাবি। জানা গেছে, শুক্রবার দুপুরের মধ্যে তিনি জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে পদত্যাগপত্র পাঠাতে পারেন।
এদিকে বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবরে দাবি করা হয়েছে, গত ৯ মে লন্ডন সফরের সময় রাষ্ট্রপতি শেখ হাসিনার সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেন। পরে বিষয়টি গোয়েন্দা সংস্থার নজরে এলে তাঁকে পদত্যাগের বার্তা দেওয়া হয় বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে এ দাবির বিষয়ে সরকার বা সংশ্লিষ্ট পক্ষের আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করতে চাইলে জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন। রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন এবং ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বিধান রয়েছে।
