চট্টগ্রাম বন্দরে দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকা নিলাম অযোগ্য, নিম্নমানের ও মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য ধ্বংসের কার্যক্রম শুরু করেছে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস। পরিবেশসম্মত উপায়ে ১২৬টি কনটেইনারে থাকা মোট ৩ হাজার ২৬৮ মেট্রিক টন পণ্য ধ্বংস করা হচ্ছে।
ধ্বংসের তালিকায় রয়েছে ৩৪ কনটেইনার নিম্নমানের খেজুর, ৪০ কনটেইনার মেয়াদোত্তীর্ণ সোডা অ্যাশ এবং ১৮ কনটেইনার মেয়াদোত্তীর্ণ ফিড গ্রেড লাইম স্টোন। এ ছাড়া কমলা, পেঁয়াজ, কাজুবাদামসহ অন্যান্য পচনশীল ও নষ্ট পণ্যও রয়েছে।
সোমবার (২৪ আগস্ট) সকাল ১০টা থেকে চট্টগ্রাম বন্দর রিপাবলিক ক্লাবের পেছনে নির্ধারিত স্থানে এ কার্যক্রম শুরু হয়। এরপর থেকে নিরবচ্ছিন্নভাবে পণ্য ধ্বংসের কাজ চলছে। ধ্বংস কার্যক্রমের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরেজমিনে উপস্থিত রয়েছে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, বিজিবি ও আনসার সদস্যদের পাশাপাশি স্থানীয় বন্দর থানা পুলিশের একটি দল। সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো ধ্বংসকাজে নিরাপত্তাসহ সার্বিক সহযোগিতা দিচ্ছে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) আশা করছে, চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসের এই উদ্যোগ বন্দরে দীর্ঘদিন পড়ে থাকা পচনশীল ও ক্ষতিকর পণ্য সরানোর পাশাপাশি কনটেইনার জট নিরসনেও কার্যকর ভূমিকা রাখবে।
এনবিআর জানিয়েছে, চট্টগ্রাম বন্দরের সার্বিক নিরাপত্তা ও পরিবেশ সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সব সংস্থার সহযোগিতায় নিলাম-অযোগ্য ও ধ্বংসযোগ্য পণ্য পর্যায়ক্রমে ধ্বংসের এই কার্যক্রম জরুরি ভিত্তিতে অব্যাহত রাখা হবে।
