চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার গুলিয়াখালী ইউনিয়নের নিহত মাদক কারবারি ও একাধিক মামলার আসামি নুর ইসলাম ইরান (৪৫)-এর লাশ দাফনকে ঘিরে চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় এলাকাবাসী তার জানাজায় অংশ নেয়নি এবং কবরস্থানে দাফন করতেও বাধা দেয়। শেষ পর্যন্ত তার পরিবারের ৮–১০ জন সদস্য জানাজায় অংশ নেন।
গতকাল রবিবার সকালে চারদিকের লোকজন ইরানের মরদেহ নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন। এলাকাবাসীর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে ইরান মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিল এবং তার বিরুদ্ধে খুন, মাদকসহ মোট ছয়টি মামলা রয়েছে। এসব কারণে সমাজে তার প্রতি চরম বিরূপ মনোভাব তৈরি হয়।

এর আগে ২৩ জুলাই স্থানীয় এলাকাবাসী মানববন্ধন করে মাদক ব্যবসায়ী ইরানকে গ্রেপ্তার ও শাস্তির দাবি জানিয়েছিল। অভিযোগ রয়েছে, টাকার বিনিময়ে তিনি বারবার আইনের হাত থেকে রক্ষা পেয়ে আসছিলেন।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, অসুস্থ অবস্থায় ইরানকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত শুক্রবার তার মৃত্যু হয়। মৃত্যুর খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ আরও বাড়ে।
শনিবার দিবাগত রাতে ইরানের মরদেহ এলাকায় আনা হলে জানাজায় কেউ অংশ নেয়নি। পরে পরিবারের সদস্যরা সীমিত পরিসরে জানাজার আয়োজন করেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, বিক্ষুব্ধ কিছু লোক মরদেহের প্রতি অবমাননাকর আচরণ করে এবং দাফনে বাধা দেওয়ার চেষ্টা চালায়। শেষ পর্যন্ত পরিস্থিতি সামাল দিয়ে পরিবারের সদস্যরা দাফনের ব্যবস্থা করেন।
