প্রায় তিন দশকের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে বিশ্বকাপের মঞ্চে ফিরছে নরওয়ে। ১৯৯৮ সালের পর প্রথমবারের মতো ফুটবলের সবচেয়ে বড় আসরে খেলতে যাওয়া দলটিকে ঘিরে উচ্ছ্বাসের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন আর্লিং হালান্ড। তবে এবারের নরওয়েকে শুধু একজন তারকার দল ভাবলে ভুল হবে।

কোচ স্টেল সোলবাকেন এমন একটি স্কোয়াড গড়ে তুলেছেন, যেখানে প্রতিটি বিভাগেই রয়েছে মানসম্পন্ন খেলোয়াড়। আক্রমণে হালান্ড থাকলেও তাকে সহায়তা করার জন্য আছে গতি, সৃজনশীলতা ও গোল করার একাধিক বিকল্প।
মাঝমাঠে দলের ছন্দ নির্ধারণের দায়িত্বে থাকবেন মার্টিন ওডেগার্ড। তার নিখুঁত পাস, খেলার গতি নিয়ন্ত্রণ এবং সুযোগ তৈরি করার ক্ষমতা নরওয়ের আক্রমণকে আরও ভয়ংকর করে তুলেছে। উইংয়ে তরুণ প্রতিভাদের উপস্থিতি প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগে বাড়তি চাপ সৃষ্টি করবে।
তবে চ্যালেঞ্জও কম নয়। নরওয়ে পড়েছে কঠিন এক গ্রুপে, যেখানে রয়েছে France, Senegal এবং Iraq। গ্রুপ পর্ব পেরোতে হলে প্রতিটি ম্যাচেই সেরাটা দিতে হবে তাদের।
তবুও দীর্ঘদিন পর বিশ্বকাপে ফেরা নরওয়ে আত্মবিশ্বাসী। অভিজ্ঞতা, তারুণ্য, গতি এবং গোল করার সামর্থ্যের সমন্বয়ে গড়া এই দলটি শুধু অংশ নিতে নয়, চমক দেখাতেও প্রস্তুত। উত্তর আমেরিকার মাটিতে তাই নরওয়ের লক্ষ্য কেবল হালান্ডের গোল নয়, বরং একটি পূর্ণাঙ্গ দল হিসেবে নিজেদের নতুন পরিচয় তুলে ধরা।
