নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্টে একেবারেই ভিন্ন চেহারায় মাঠে নামছে ইংল্যান্ড। একাধিক সিনিয়র ক্রিকেটারের অনুপস্থিতিতে তরুণদের নিয়ে সাজানো দলটি ইতোমধ্যেই গড়ে ফেলেছে একটি বিরল রেকর্ড। প্রায় ৭৫ বছর পর ইংল্যান্ড এমন একাদশ নিয়ে টেস্ট খেলতে যাচ্ছে, যেখানে পাঁচজন ক্রিকেটারের টেস্ট অভিজ্ঞতা এক ম্যাচের বেশি নয়।

ওভালে শুরু হওয়া ম্যাচের আগে ইংল্যান্ড শিবিরে আসে সুখবর। উইকেটরক্ষক-ব্যাটসম্যান জেমি স্মিথ দ্বিতীয় সন্তানের বাবা হওয়ায় পরিবারের সঙ্গে সময় কাটাতে ছুটিতে গেছেন। তার পরিবর্তে প্রথমবারের মতো টেস্ট দলে সুযোগ পেয়েছেন জেমস রু।
লর্ডসে প্রথম টেস্টে জয় পাওয়া দল থেকে একসঙ্গে পাঁচটি পরিবর্তন এনেছে ইংল্যান্ড। নতুন মুখ হিসেবে দলে জায়গা পেয়েছেন জেমস রু, জর্ডান কক্স ও সনি বেকার। এছাড়া দীর্ঘদিন পর একাদশে ফিরেছেন পেসার জফ্রা আর্চার এবং ম্যাথু ফিশার।
দলের নিয়মিত অধিনায়ক বেন স্টোকস ও গাস অ্যাটকিনসনকে বিশ্রাম দেওয়া হয়েছে। হাঁটুর চোটের কারণে ছিটকে গেছেন অলি রবিনসন।
ইংল্যান্ডের টেস্ট ইতিহাসে এমন দৃশ্য খুব কমই দেখা গেছে। ২০১৭ সালের পর এই প্রথম একসঙ্গে তিনজন ক্রিকেটার টেস্ট অভিষেকের সুযোগ পাচ্ছেন। তবে সবচেয়ে বড় পরিসংখ্যানটি এসেছে অভিজ্ঞতার দিক থেকে।
অভিষেকের অপেক্ষায় থাকা জেমস রু ঘরোয়া ক্রিকেটে ধারাবাহিক পারফরম্যান্স দেখিয়ে জাতীয় দলে ডাক পেয়েছেন। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ৬৪ ম্যাচে প্রায় চার হাজার রান করেছেন তিনি। তার ঝুলিতে রয়েছে ১২টি সেঞ্চুরি, যা নির্বাচকদের আস্থা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
তরুণ ও অনভিজ্ঞ ক্রিকেটারদের নিয়ে গড়া এই দল মাঠে কতটা সফল হয়, তা সময়ই বলে দেবে।
দ্বিতীয় টেস্টে ইংল্যান্ডের একাদশ:
এমিলিও গে, বেন ডাকেট, জ্যাকব বেথেল, জো রুট (অধিনায়ক), হ্যারি ব্রুক, জেমস রু (উইকেটরক্ষক), জর্ডান কক্স, জফ্রা আর্চার, জশ টং, ম্যাথু ফিশার ও সনি বেকার।
