বৃহস্পতিবার দুপুরে সর্পদংশনে সৃষ্ট জনস্বাস্থ্য ঝুঁকি মোকাবিলা, গবেষণা সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে তিনি কেন্দ্র দুটি পরিদর্শন করেন। এ সময় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন এবং চমেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দিন পরিদর্শন দলকে স্বাগত জানান।
পরিদর্শনকালে রাষ্ট্রদূত ভেনম রিসার্চ সেন্টারের চলমান গবেষণা কার্যক্রম, সাপের লালন-পালন, বিষ সংগ্রহ ও সংরক্ষণ পদ্ধতি এবং অ্যান্টিভেনম উন্নয়ন কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত হন। পরে তিনি বাংলাদেশ ন্যাশনাল পয়জন ইনফরমেশন সেন্টারও পরিদর্শন করেন এবং কেন্দ্রটির কার্যক্রম ঘুরে দেখেন।

রাষ্ট্রদূত গবেষণা কার্যক্রমে গভীর আগ্রহ প্রকাশ করেন এবং জনস্বাস্থ্য ও বৈজ্ঞানিক গবেষণায় ভেনম রিসার্চ সেন্টারের গুরুত্বপূর্ণ অবদানের প্রশংসা করেন।
জার্মান রাষ্ট্রদূতের সফরসঙ্গী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রামস্থ জার্মান কনস্যুলার মির্জা শাকির ইস্পাহানি, সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মকর্তা সৈয়দা জারিন রাফা, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক অধ্যাপক এম. এ. ফয়েজ, চমেক হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. আব্দুস সাত্তার, ভেনম রিসার্চ সেন্টারের মুখ্য গবেষক অধ্যাপক অনিরুদ্ধ ঘোষ, সহগবেষক ডা. আব্দুল্লাহ আবু সাঈদসহ কেন্দ্রটির অন্যান্য গবেষকরা।
ড. রুডিগার লৎস বলেন, “ভেনম রিসার্চ সেন্টার পরিদর্শন করে আমি অত্যন্ত আনন্দিত। এটি ছিল অত্যন্ত তথ্যবহুল ও অন্তর্দৃষ্টিপূর্ণ একটি পরিদর্শন। বাংলাদেশে অসংখ্য মানুষের জীবন রক্ষায় আপনারা যে গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে যাচ্ছেন, তা ভবিষ্যতেও সফলভাবে অব্যাহত থাকবে বলে আশা করি।” পরিদর্শন শেষে ভেনম রিসার্চ সেন্টারের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রদূতের হাতে স্মারক উপহার তুলে দেওয়া হয় এবং কেন্দ্রটির গবেষণা কার্যক্রমের ধারাবাহিক সফলতা কামনা করা হয়।
