
সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, বর্তমানে সি চিন পিংয়ের সঙ্গে তার খুব ভালো সম্পর্ক রয়েছে। তিনি জানান, চীন যুক্তরাষ্ট্র থেকে বিপুল পরিমাণ জ্বালানি আমদানিতে আগ্রহ দেখিয়েছে এবং টেক্সাস, লুইজিয়ানা ও আলাস্কা থেকে চীনে তেল রপ্তানি শুরু হবে। ট্রাম্পের ভাষায়, “চীনের সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন জ্বালানি, আর আমাদের কাছে তার প্রচুর মজুত রয়েছে।”

ট্রাম্প আরও দাবি করেন, চীন ২০০টি বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, যা যুক্তরাষ্ট্রে নতুন কর্মসংস্থান তৈরি করবে। এছাড়া তিনি বলেন, চীন ইরানে সামরিক সরঞ্জাম পাঠানো থেকে বিরত থাকার আশ্বাস দিয়েছে। যদিও এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি বেইজিং।
সাক্ষাৎকারে সি চিন পিংয়ের ব্যক্তিত্বেরও প্রশংসা করেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, সি অত্যন্ত আন্তরিক, শ্রদ্ধাশীল এবং পুরোপুরি কাজকেন্দ্রিক একজন নেতা। একইসঙ্গে চীনের অর্থনীতি আরও উন্মুক্ত করার পক্ষেও মত দেন তিনি।
