বিশ্বকাপে বজ্রপাতের হুমকি, ফিফার চেয়েও ক্ষমতাবান স্থানীয় কর্তৃপক্ষ

বিশ্বকাপে বজ্রপাত আর বজ্রঝড়: যখন ফিফার চেয়েও স্থানীয় কর্তৃপক্ষ শক্তিশালী

২০২৬ বিশ্বকাপে খেলোয়াড়দের অন্যতম বড় প্রতিপক্ষ হতে পারে আবহাওয়া। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিতব্য আসরে উত্তর আমেরিকার গ্রীষ্মকালীন বজ্রঝড় ও বজ্রপাত ম্যাচের সূচিতে বড় প্রভাব ফেলতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রে বজ্রপাতের ঝুঁকি দেখা দিলে খেলা সাময়িক বন্ধ করা খুবই স্বাভাবিক ঘটনা। এমন পরিস্থিতিতে ফিফা এককভাবে সিদ্ধান্ত নিতে পারে না; স্থানীয় নিরাপত্তা ও আবহাওয়া কর্তৃপক্ষের নির্দেশনাই প্রাধান্য পায়। ফলে স্টেডিয়ামের কাছাকাছি কোথাও বজ্রপাত শনাক্ত হলেও ম্যাচ বন্ধ করে দেওয়া হতে পারে, এমনকি মাঠের ওপর তখন রোদ থাকলেও।

ফিফার নিয়ম অনুযায়ী, আবহাওয়ার কারণে কোনো ম্যাচ নির্ধারিত দিনে শেষ করা না গেলে তা পরে পুনরায় শুরু হবে। ম্যাচ যে মিনিটে বন্ধ হয়েছিল, ঠিক সেখান থেকেই খেলা শুরু হবে। তবে ম্যাচ কতক্ষণ বন্ধ থাকবে, তার কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা নেই।

সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও পূর্বাঞ্চলের কয়েকটি আয়োজক শহর—আটলান্টা, ডালাস, হিউস্টন, মায়ামি, বোস্টন, কানসাস সিটি ও নিউ জার্সি। মেক্সিকোর মেক্সিকো সিটি ও মন্টেরেও এ তালিকায় রয়েছে। যদিও কিছু স্টেডিয়ামে ছাদ থাকায় ঝড়ের প্রভাব তুলনামূলক কম হতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে উত্তর আমেরিকায় তীব্র বজ্রঝড় ও চরম আবহাওয়ার ঘটনা আগের চেয়ে বেড়েছে। ফলে ২০২৬ বিশ্বকাপে মাঠের লড়াইয়ের পাশাপাশি আবহাওয়াও বড় আলোচনার বিষয় হয়ে উঠতে পারে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top