স্পেনের বিপক্ষে অবিশ্বাস্য পারফরম্যান্সে বিশ্বকাপের অন্যতম বড় চমক উপহার দিয়েছে কেপ ভার্দে। আর সেই ম্যাচের নায়ক গোলরক্ষক ভোজিনহা এখন আলোচনায় শুধু মাঠের পারফরম্যান্সের জন্যই নন, বরং তার মাকে যুক্তরাষ্ট্রে আনতে মার্কিন প্রশাসনের সহায়তার কারণেও।
স্পেনের বিপক্ষে কেপ ভার্দের ঐতিহাসিক ড্রয়ের পর ভোজিনহা আক্ষেপ করে জানান, ভিসাসংক্রান্ত জটিলতা ও আর্থিক কারণে তার মা যুক্তরাষ্ট্রে এসে ছেলের খেলা দেখতে পারেননি। বিষয়টি গণমাধ্যমে প্রকাশ পাওয়ার পরই নড়েচড়ে বসে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর।

মঙ্গলবার এক মার্কিন কর্মকর্তা জানান, ভোজিনহার মাকে বিশ্বকাপের ম্যাচ দেখতে যুক্তরাষ্ট্রে আনার বিষয়ে সহায়তা দিতে তার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করছে প্রশাসন। ৪০ বছর বয়সী এই গোলরক্ষক স্পেনের বিপক্ষে সাতটি নিশ্চিত গোলের সুযোগ নষ্ট করে দেন। তার অসাধারণ নৈপুণ্যে শক্তিশালী স্পেনকে রুখে দিয়ে বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচেই ইতিহাস গড়ে কেপ ভার্দে।
মাত্র সাড়ে পাঁচ লাখ জনসংখ্যার দেশটির এই সাফল্য বিশ্ব ফুটবলে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। ম্যাচের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভোজিনহার জনপ্রিয়তা বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে; কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে তার অনুসারীর সংখ্যা লাখ থেকে মিলিয়নে পৌঁছে যায়।
এদিকে জানা গেছে, ভোজিনহার মায়ের বর্তমানে বৈধ পাসপোর্ট নেই এবং তিনি নতুন পাসপোর্ট সংগ্রহের প্রক্রিয়ায় রয়েছেন। ফলে সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে তিনি ছেলের বিশ্বকাপ ম্যাচ সরাসরি দেখার সুযোগ পেতে পারেন।
স্পেনকে রুখে দেওয়া এই রূপকথার নায়ক এবার অপেক্ষায় আছেন আরেকটি স্বপ্নপূরণের—গ্যালারিতে বসে তার মায়ের চোখের সামনে বিশ্বকাপ খেলার।
