কে পেতে পারে ‘ডার্ক হর্স’ তকমা?
বিশ্বকাপে ‘ডার্ক হর্স’ বলতে এমন দলকে বোঝানো হয়, যারা শিরোপার প্রধান দাবিদার না হলেও চমক দেখিয়ে অনেক দূর যেতে পারে। ২০২৬ বিশ্বকাপেও কয়েকটি দলকে ঘিরে এমন আলোচনা জোরালো।
🇲🇦 Morocco
সবচেয়ে বেশি আলোচনায় আছে মরক্কো। ২০২২ বিশ্বকাপে সেমিফাইনালে উঠে ইতিহাস গড়া দলটি এখনও শক্তিশালী রক্ষণ, দ্রুত কাউন্টার অ্যাটাক এবং অভিজ্ঞ খেলোয়াড়দের নিয়ে প্রতিপক্ষের জন্য বড় হুমকি। অনেক বিশ্লেষকই তাদের ২০২৬ সালের শীর্ষ ডার্ক হর্স হিসেবে দেখছেন।
🇯🇵 Japan
জাপানকে অবমূল্যায়ন করা কঠিন। সাম্প্রতিক বিশ্বকাপগুলোতে ইউরোপের বড় দলগুলোর বিপক্ষে তাদের সাফল্য প্রমাণ করেছে যে তারা বড় মঞ্চে ভয় পায় না। শৃঙ্খলাবদ্ধ ফুটবল ও দ্রুতগতির আক্রমণ তাদের বড় অস্ত্র।
🇳🇴 Norway
এরলিং হালান্ড ও মার্টিন ওডেগার্ডকে নিয়ে গড়া নরওয়ে অনেকের চোখে সম্ভাব্য চমক। শক্তিশালী আক্রমণভাগের কারণে তারা যেকোনো ফেভারিটকে বিপদে ফেলতে পারে।
🇵🇹 Portugal
পর্তুগালকে কেউ কেউ ডার্ক হর্স বলতে রাজি না হলেও, তারা ফ্রান্স-স্পেন-ব্রাজিলের মতো আলোচনায় ততটা নেই। কিন্তু ব্রুনো ফার্নান্দেজ, বের্নার্দো সিলভা ও শক্তিশালী মিডফিল্ডের কারণে তারা শিরোপা দৌড়ে বড় চমক হতে পারে।
🇳🇱 Netherlands
নেদারল্যান্ডসও অনেক পূর্বাভাসে ‘আউটসাইডার’ হিসেবে উঠে এসেছে। সঠিক ড্র ও ধারাবাহিক পারফরম্যান্স পেলে তারা সেমিফাইনাল বা ফাইনাল পর্যন্ত যেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
আমার মূল্যায়ন
যদি একটি দলকে ২০২৬ বিশ্বকাপের সবচেয়ে সম্ভাবনাময় ডার্ক হর্স বলতে হয়, তাহলে সেটি হবে মরক্কো। ২০২২ সালের সাফল্য যে কাকতালীয় ছিল না, তা তারা পরবর্তী সময়েও প্রমাণ করেছে। এরপর থাকবে জাপান ও নরওয়ে।

