জাতীয় নিরাপত্তার ঝুঁকির কথা উল্লেখ করে বিদেশে তৈরি নতুন মানবসদৃশ (হিউম্যানয়েড) রোবট এবং কিছু অত্যাধুনিক প্রযুক্তিপণ্য আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ট্রাম্প প্রশাসনের দাবি, এসব পণ্য সাইবার হামলা, নজরদারি ও তথ্য চুরির ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

তবে আগে অনুমোদন পাওয়া বা বাজারে থাকা পণ্যের ওপর এ সিদ্ধান্তের প্রভাব পড়বে না। এদিকে চীন এই নিষেধাজ্ঞার সমালোচনা করে একে বাণিজ্যকে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করার উদাহরণ বলে মন্তব্য করেছে।
এদিকে ওয়াশিংটনে অবস্থিত চীনা দূতাবাস এ সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে বলেছে, বাণিজ্যিক বিষয়কে রাজনৈতিক রূপ দেওয়া হচ্ছে। চীনের দাবি, তাদের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও রোবট প্রযুক্তির অগ্রগতি নিজস্ব গবেষণা ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার ফল। একই সঙ্গে চীনা কোম্পানিগুলোর বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা ও অপপ্রচার বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে বেইজিং।
যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে প্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং বাণিজ্যিক প্রতিযোগিতা তীব্র হওয়ার মধ্যেই ওয়াশিংটনের এ সিদ্ধান্ত নতুন করে দুই দেশের প্রযুক্তি-সংঘাতকে আরও উসকে দিতে পারে।
