নেইমারের অনুপস্থিতিতে ব্রাজিলের আক্রমণভাগ কেমন হবে, তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই আলোচনা চলছে। তবে হাইতির বিপক্ষে ম্যাচে সেলেসাওরা দেখিয়েছে, তারা ধীরে ধীরে নতুন এক আক্রমণ কাঠামোর দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।
এই ম্যাচের সবচেয়ে বড় তারকা ছিলেন Matheus Cunha। জোড়া গোল করে তিনি শুধু দলের জয়েই অবদান রাখেননি, বরং আক্রমণভাগে নিজের গুরুত্বও প্রমাণ করেছেন। বক্সের ভেতরে তার উপস্থিতি, দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা এবং সুযোগ কাজে লাগানোর দক্ষতা ব্রাজিলকে বাড়তি আত্মবিশ্বাস দিয়েছে।

অন্যদিকে Vinícius Júnior আবারও ছিলেন আক্রমণের কেন্দ্রবিন্দুতে। তার গতি, ড্রিবলিং এবং প্রতিপক্ষের ডিফেন্স ভেঙে দেওয়ার সামর্থ্য ব্রাজিলের আক্রমণকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলেছে। গোল না করলেও ম্যাচে তার প্রভাব ছিল স্পষ্ট।
নেইমার না থাকায় এখন ব্রাজিলের আক্রমণ আর কোনো একক তারকার ওপর নির্ভরশীল নয়। বরং একাধিক খেলোয়াড়ের অংশগ্রহণে তৈরি হচ্ছে আরও গতিশীল ও বৈচিত্র্যময় আক্রমণভাগ। এতে প্রতিপক্ষের জন্যও ব্রাজিলকে থামানো কঠিন হয়ে উঠছে।
বিশ্লেষকদের মতে, দলটি এখনও পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। তবে কুনহার মতো স্ট্রাইকারের উত্থান এবং ভিনিসিয়ুসের ধারাবাহিক পারফরম্যান্স ভবিষ্যতের জন্য ইতিবাচক বার্তা দিচ্ছে। এই জুটি নিজেদের সেরা ফর্ম ধরে রাখতে পারলে ব্রাজিলের আক্রমণভাগ আবারও বিশ্বের অন্যতম ভয়ংকর ইউনিটে পরিণত হতে পারে।
সব মিলিয়ে, নেইমার-নির্ভরতা থেকে বেরিয়ে এসে নতুন পরিচয়ে নিজেদের গড়ে তুলছে ব্রাজিল। আর সেই নতুন যুগের প্রথম আলো দেখা যাচ্ছে কুনহা ও ভিনিসিয়ুসের পারফরম্যান্সেই।
