
আগস্ট থেকেই চালু হচ্ছে সরকারের নতুন ‘প্রবাসী কার্ড’। বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশিদের জন্য সমন্বিত ডিজিটাল পরিচয়ব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং ব্যাংকিং, সরকারি ও কল্যাণমূলক সেবা সহজ করা এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। একই সঙ্গে বৈধ পথে রেমিট্যান্স পাঠাতে প্রবাসীদের আরও উৎসাহিত করাও এর উদ্দেশ্য।
কী এই প্রবাসী কার্ড?
এটি একটি স্মার্ট ডিজিটাল পরিচয়পত্র, যা পরিচয় নিশ্চিত করার পাশাপাশি বিভিন্ন সরকারি ও আর্থিক সেবা গ্রহণে ব্যবহৃত হবে। কার্ডে থাকা কিউআর কোড স্ক্যান করে প্রয়োজনীয় তথ্য দেখা যাবে। পাশাপাশি মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে এর ডিজিটাল সংস্করণও ব্যবহার করা যাবে।
যেসব সুবিধা মিলবে
প্রবাসী কার্ডধারীরা ডুয়েল কারেন্সি সুবিধার মাধ্যমে বিদেশি মুদ্রা ও বাংলাদেশি টাকায় লেনদেন করতে পারবেন। অনলাইন কেনাকাটা, পরিবারের জন্য দেশে পণ্য ক্রয়, বিমানবন্দরের বিশেষ লাউঞ্জ ও প্রটোকল সুবিধা, বিমান টিকিট ও হোটেলে ছাড় পাবেন। এছাড়া ‘প্রবাসী সিটি’ প্রকল্পে আবাসন বা প্লট কেনায় অগ্রাধিকার, বিএমইটির বীমা সুবিধা, সামাজিক সুরক্ষা এবং রেমিট্যান্সে সরকারি প্রণোদনাও বহাল থাকবে।
কারা আগে পাবেন?
প্রথম ধাপে জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি)-তে নিবন্ধিত প্রবাসীরা অগ্রাধিকার পাবেন। যাদের বিএমইটি কার্ড রয়েছে, তাদের নতুন করে নিবন্ধন ফি লাগবে না বলেই ধারণা করা হচ্ছে। নতুন আবেদনকারীদের নির্ধারিত সরকারি ফি পরিশোধ করতে হতে পারে।
