চলতি জুনে শুরু হতে যাওয়া ফিফা বিশ্বকাপ-২০২৬কে সামনে রেখে নজিরবিহীন পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছে ইরান। আয়োজক দেশগুলোর অন্যতম যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উত্তেজনাপূর্ণ সম্পর্ক ও চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যেই বিশ্বকাপ খেলতে যাচ্ছে দেশটি।
ভিসা জটিলতা ও নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে ইরানের প্রস্তুতিতে বড় ধরনের বাধা সৃষ্টি হয়েছে। পূর্বনির্ধারিত ক্যাম্প পরিবর্তন করে তুরস্ক ও পরে মেক্সিকোতে অনুশীলন চালাতে হয়েছে দলটিকে। শেষ পর্যন্ত প্রয়োজনীয় ভিসা জটিলতা কাটিয়ে বিশ্বকাপের ঠিক আগে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের অনুমতি পেয়েছে ইরান দল।

তবে এসব প্রতিকূলতার মধ্যেও দেশের জন্য ভালো কিছু করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ফুটবলাররা। অভিজ্ঞ মিডফিল্ডার সাইদ এজাতোলাহি বলেছেন, দেশের পরিস্থিতি খেলোয়াড়দের মানসিকভাবে প্রভাবিত করলেও তারা মাঠে নিজেদের সেরাটা দেওয়ার জন্য প্রস্তুত। যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত ইরানি প্রবাসীদের সমর্থনও দলকে অনুপ্রাণিত করবে বলে আশা তার।
অন্যদিকে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ খেলতে যাওয়া তরুণ ফুটবলার মোহাম্মদ ঘোরবানি বলেন, যুদ্ধ ও সংকটে দেশের মানুষ যে কষ্টের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, সেই দুঃসময়ে ফুটবলারদের লক্ষ্য মাঠের সাফল্যের মাধ্যমে তাদের মুখে হাসি ফোটানো।
বিশ্লেষকদের মতে, বিশ্বকাপে ইরানের সবচেয়ে বড় লড়াই শুধু প্রতিপক্ষের বিপক্ষে নয়; বরং যুদ্ধ, রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা এবং মানসিক চাপ সামলে জাতীয় ঐক্য ও দৃঢ়তার প্রতীক হয়ে ওঠাও তাদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ।
