বিশ্বকাপে নজর কাড়ছে মিশর, আলোচনায় কোচ হোসাম হাসান
২০২৬ বিশ্বকাপে ১৯৩৪ সালের পর প্রথমবারের মতো নকআউট পর্বে উঠে ইতিহাস গড়েছে মিশর। তবে মাঠের সাফল্যের পাশাপাশি জাতীয় দলের কোচ হোসাম হাসানকে ঘিরে ফুটবল ও রাজনীতির সম্পর্কও নতুন করে আলোচনায় এসেছে।

নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে শেষ ৩২ নিশ্চিত করার পর প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসির অভিনন্দনবার্তার জবাবে হাসান বলেন, এই শুভেচ্ছা তার কাছে ‘বুকে ঝোলানো একটি পদকের’ মতো। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, আল-সিসির নেতৃত্বে দেশের ক্রীড়াঙ্গনে উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন হয়েছে।
৫৯ বছর বয়সী হোসাম হাসান খেলোয়াড়ি জীবনে মিশরের অন্যতম সেরা ফুটবলার ছিলেন। কোচ হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর অপরাজিত থেকে দলকে বিশ্বকাপে তুলেছেন এবং আসরে দেশের প্রথম জয় ও নকআউট নিশ্চিত করেছেন।
তবে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান-এর এক বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, হোসাম হাসানের বক্তব্যে অনেক সময় ফুটবল ও রাজনীতির সীমারেখা অস্পষ্ট হয়ে ওঠে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, তিনি প্রায়ই রাষ্ট্রীয় নেতৃত্বের প্রতি প্রকাশ্যে সমর্থন ও কৃতজ্ঞতা জানান।
বিশ্বকাপ চলাকালে হাসান জানান, তার চুক্তির মেয়াদ শেষ হলেও জাতীয় দায়িত্ববোধ থেকেই তিনি দল পরিচালনা করছেন। একই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত এক দশকে মিশরের ফুটবলের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ খাত রাষ্ট্র-সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হওয়ায় দেশটির ফুটবল ও রাষ্ট্রীয় কাঠামোর সম্পর্ক আরও দৃশ্যমান হয়ে উঠেছে।
