দেশের তৃণমূল পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা আরও সহজলভ্য করতে ঘরে ঘরে স্বাস্থ্য পরীক্ষা বা ‘হেলথ স্ক্রিনিং’ কার্যক্রম চালুর পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। বুধবার সচিবালয়ে এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান মো. সাখাওয়াত হোসেন।
মন্ত্রী জানান, প্রাথমিকভাবে ৬ থেকে ১০টি উপজেলার একটি করে ইউনিয়নে পরীক্ষামূলকভাবে এ কার্যক্রম চালু করা হবে। পাইলট প্রকল্প সফল হলে ধাপে ধাপে সারা দেশে সম্প্রসারণ করা হবে।
এই উদ্যোগের আওতায় রক্ত, ইউরিন ও ডায়াবেটিসসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্য পরীক্ষা করার জন্য বিশেষ মেডিকেল কিট বক্স ব্যবহারের পরিকল্পনা রয়েছে। এর মাধ্যমে প্রাথমিক পর্যায়েই রোগ শনাক্ত করে জনগণকে দ্রুত স্বাস্থ্যসেবার আওতায় আনা সম্ভব হবে বলে আশা করছে সরকার।
এছাড়া গ্রামীণ স্বাস্থ্যব্যবস্থা শক্তিশালী করতে প্রতিটি হাসপাতালে একজন নারী ও একজন পুরুষ ফিজিওথেরাপিস্ট নিয়োগের পরিকল্পনার কথাও জানান মন্ত্রী। একই সঙ্গে দেশের ৪৯২টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ৫০ শয্যা থেকে ১০১ শয্যায় উন্নীত করার কাজ শুরু হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়নের অংশ হিসেবে খুলনা, বরিশাল, রাজশাহী, রংপুর বিভাগ ও কুমিল্লায় ২০০ শয্যাবিশিষ্ট পাঁচটি বিশেষায়িত শিশু হাসপাতাল নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। এসব হাসপাতালে আধুনিক আইসিইউ সুবিধাও থাকবে।
এছাড়া চীন-বাংলাদেশ যৌথ উদ্যোগে নারীদের জন্য পাঁচটি বিশেষায়িত হাসপাতাল নির্মাণ এবং ঢাকা মিটফোর্ড হাসপাতালের পুরোনো ভবন পুনর্নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সরকারের লক্ষ্য দেশের স্বাস্থ্যসেবাকে আরও আধুনিক, কার্যকর ও মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া।
