অর্থপাচারের প্রমাণ পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী
আমদানি-রপ্তানির আড়ালে অর্থপাচারের অভিযোগ উঠলেও সুনির্দিষ্ট প্রমাণ ছাড়া ব্যবস্থা নেওয়া কঠিন বলে জানিয়েছেন খন্দকার আবদুল মুক্তাদির। তবে প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি জানান।

সোমবার জাতীয় সংসদে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা আমদানি-রপ্তানির আড়ালে বছরে প্রায় ৮ বিলিয়ন ডলার বিদেশে পাচারের অভিযোগ তুলে সরকারের পদক্ষেপ জানতে চান।
জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, দেশের প্রায় ১৩০ বিলিয়ন ডলারের বাণিজ্যের মধ্যে কোন পণ্যের মাধ্যমে কত অর্থ পাচার হচ্ছে, তা নির্দিষ্টভাবে চিহ্নিত করা সহজ নয়। বিষয়টি নিয়ে গবেষণা ও বিশ্লেষণের প্রয়োজন রয়েছে। তবে অর্থপাচারের প্রমাণ পাওয়া গেলে সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।
এ সময় তিনি আরও জানান, স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে উত্তরণের পর বাংলাদেশের প্রায় ১৭.৫ বিলিয়ন ডলারের রপ্তানি ঝুঁকিতে পড়তে পারে। এ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সরকার জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, চীন, সিঙ্গাপুর ও সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব জোরদারে কাজ করছে।
মন্ত্রী বলেন, দেশের রপ্তানি আয়ের ৮৪ শতাংশ এখনো তৈরি পোশাক খাতনির্ভর। এ নির্ভরতা কমাতে চামড়া, পাট, কৃষিপণ্য, ওষুধ, আইসিটি, লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং, হিমায়িত খাদ্য ও প্লাস্টিক খাতের উন্নয়নে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
