ইন্টার মায়ামিতে যোগ দেওয়ার তিন বছর পর শহরটি এখন লিওনেল মেসির দ্বিতীয় বাড়ির মতো। এবার সেই মিয়ামিতেই বিশ্বকাপের শেষ ৩২-এর ম্যাচ খেলতে নামছে আর্জেন্টিনা। হার্ড রক স্টেডিয়ামে কেপ ভার্দের বিপক্ষে ম্যাচ ঘিরে শহরজুড়ে তৈরি হয়েছে উৎসবের আবহ।
মিয়ামির আর্জেন্টাইন অধ্যুষিত এলাকাগুলোতে নীল-সাদা জার্সিধারী সমর্থকদের ভিড় দেখা যাচ্ছে। স্থানীয় রেস্তোরাঁ, ক্যাফে ও বেকারিগুলোও বিশ্বকাপের আমেজে মুখর। বহু সমর্থকের কাছে এটি আর্জেন্টিনার জার্সিতে মেসিকে নিজেদের শহরে দেখার বিরল সুযোগ।

২০২৩ সালে ইন্টার মায়ামিতে যোগ দেওয়ার পর মেসি ও তার পরিবার শহরটিতে স্বাচ্ছন্দ্যের জীবন গড়ে তুলেছেন। প্রথমদিকে তাকে ঘিরে ব্যাপক উন্মাদনা থাকলেও এখন তিনি স্থানীয়দের কাছে পরিচিত মুখ হয়ে উঠেছেন।
চলতি বিশ্বকাপেও দারুণ ছন্দে আছেন মেসি। গ্রুপ পর্বে তিন ম্যাচে ছয় গোল করে তিনি টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ গোলদাতা। কেপ ভার্দের বিপক্ষে নকআউট ম্যাচেও তার দিকেই তাকিয়ে থাকবে আর্জেন্টিনা।
স্থানীয় সমর্থকদের বিশ্বাস, বিশ্বকাপের মঞ্চে মিয়ামিতে আর্জেন্টিনার জার্সিতে মেসিকে খেলতে দেখা তাদের জন্য স্মরণীয় এক অভিজ্ঞতা হয়ে থাকবে।
