বিশ্বকাপ মানেই চমক, অঘটন আর নতুন ইতিহাসের জন্ম। ৪৮ দলের এবারের বিশ্বকাপে সেই সম্ভাবনা আরও বেশি। কারণ একদিকে যেমন শিরোপাপ্রত্যাশী পরাশক্তিদের লড়াই আছে, অন্যদিকে রয়েছে র্যাঙ্কিংয়ে বিশাল ব্যবধান থাকা দলগুলোর মুখোমুখি সংঘর্ষ।

গ্রুপ পর্বে সবচেয়ে বেশি নজর কাড়ছে ব্রাজিল ও হাইতির ম্যাচ। ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে দুই দলের মধ্যে ব্যবধান ৭৭ ধাপ। ব্রাজিল যেখানে ষষ্ঠ, সেখানে হাইতির অবস্থান ৮৩তম। ইতিহাসও ব্রাজিলের পক্ষেই কথা বলে। দুই দলের আগের তিন দেখায় প্রতিবারই জয় পেয়েছে সেলেসাওরা।
তবে বিশ্বকাপের ইতিহাস বলছে, কাগজে-কলমের হিসাব সবসময় মাঠে মেলে না। ২০২২ বিশ্বকাপে সৌদি আরবের কাছে আর্জেন্টিনার হার কিংবা ১৯৯০ সালে ক্যামেরুনের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার পরাজয় এখনও ফুটবলপ্রেমীদের স্মৃতিতে টাটকা। ১৯৬৬ বিশ্বকাপে ইতালিকে হারিয়ে উত্তর কোরিয়ার নকআউট পর্বে ওঠাও বিশ্বকাপ ইতিহাসের অন্যতম বড় অঘটন।
এবারও বেলজিয়াম-নিউজিল্যান্ড, জার্মানি-কুরাসাও, ইংল্যান্ড-ঘানা ও স্পেন-কেপ ভার্দের মতো ম্যাচগুলোতে র্যাঙ্কিংয়ের বিশাল ব্যবধান দেখা যাবে। কিন্তু বিশ্বকাপের মঞ্চে আন্ডারডগদের সাহস, আবেগ আর একদিনের অসাধারণ পারফরম্যান্সই অনেক সময় বদলে দেয় সব পূর্বাভাস।
তাই র্যাঙ্কিং কিংবা পরিসংখ্যান যাই বলুক, বিশ্বকাপের সবচেয়ে বড় সৌন্দর্য এখানেই—এখানে অসম্ভবকেও সম্ভব করে তোলার গল্প লেখা হয়।
