বিশ্ব ফুটবলে ব্রাজিল মানেই আবেগ, ঐতিহ্য আর অসীম প্রত্যাশার নাম।

১৯৫৮, ১৯৬২, ১৯৭০, ১৯৯৪ ও ২০০২—পাঁচবার বিশ্বকাপ জিতে ব্রাজিল এখনো সবচেয়ে সফল দল। সাতবার ফাইনাল ও ১১ বার সেমিফাইনালে খেলার কৃতিত্ব তাদের ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম উজ্জ্বল অধ্যায়। পেলের জাদুকরী যুগ থেকে রোনালদো নাজারিওর সময় পর্যন্ত প্রজন্ম বদলেছে, কিন্তু আক্রমণাত্মক ও নান্দনিক ফুটবলের ঐতিহ্য অটুট রয়েছে।
তবে দীর্ঘদিন ধরেই বিশ্বকাপ শিরোপা অধরা ব্রাজিলের। ২০০২ সালে সর্বশেষ ট্রফি জয়ের পর কেটে গেছে ২৪ বছর। এর মধ্যে কয়েকবার সম্ভাবনা জাগিয়েও শেষ পর্যন্ত হতাশ হতে হয়েছে সেলেসাওদের। বিশেষ করে নকআউট পর্বে গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে ছিটকে যাওয়ার আক্ষেপ এখনো তাড়া করে ফেরে দলটিকে।
এবার সেই আক্ষেপ ঘোচানোর লক্ষ্য নিয়েই নতুন উদ্যমে বিশ্বকাপ মিশনে নামছে ব্রাজিল। অভিজ্ঞ কোচ কার্লো আনচেলত্তির নেতৃত্বে দলটি নতুন পরিকল্পনা ও কৌশলে নিজেদের গুছিয়ে নিচ্ছে। বড় ম্যাচে তার অভিজ্ঞতা এবং চাপ সামলানোর দক্ষতা ব্রাজিলকে বাড়তি আত্মবিশ্বাস জোগাচ্ছে।
দলের আক্রমণভাগে রয়েছেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র ও রদ্রিগোর মতো তারকারা, যারা যেকোনো মুহূর্তে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিতে সক্ষম। অন্যদিকে নেইমার এখনো দলের সবচেয়ে পরিচিত মুখ। তবে তার ফিটনেস ও ধারাবাহিকতা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।
তাই প্রশ্ন একটাই—দীর্ঘ ২৪ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে ব্রাজিল কি পারবে হেক্সা জয়ের স্বপ্ন পূরণ করতে? নাকি আবারও অপূর্ণ থেকে যাবে কোটি সাম্বা সমর্থকের প্রত্যাশা?
