টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে চট্টগ্রামের বাঁশখালীর বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। ভয়াবহ এই বন্যায় পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন প্রায় দুই লাখ মানুষ। স্থানীয়দের দাবি, কয়েক দশকের মধ্যে এমন বন্যা আর দেখা যায়নি।
উপজেলার মধ্যম মিনজিরীতলা এলাকার ৮৫ বছর বয়সী মুহাম্মদ নুরুল হক বলেন, “আমার ৮৫ বছরের জীবনে এমন পানি দেখিনি। ১৯৯১ সালের ভয়াবহ বন্যাতেও এত পানি হয়নি।”

উপজেলার ১৪টি ইউনিয়ন ও পৌরসভার অধিকাংশ এলাকা পানির নিচে তলিয়ে গেছে। ঘরবাড়ি, শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান প্লাবিত হয়েছে। শত শত কাঁচা ঘর বিধ্বস্ত হয়েছে। বন্যার কারণে বিশুদ্ধ পানি ও খাদ্যসংকটে পড়েছেন দুর্গতরা।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আমিন রুহুল আমিন জানান, ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মধ্যে প্রশাসন ও বিভিন্ন সংস্থার মাধ্যমে ত্রাণ বিতরণ করা হচ্ছে। তবে প্রয়োজনের তুলনায় তা অপ্রতুল। তিনি সরকার, বিভিন্ন সংস্থা এবং বিত্তবানদের দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান।
