
চট্টগ্রামের আনোয়ারায় খাদিজা আক্তার কাশফি (১৮) নামে এক গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তার মরদেহ রেখে স্বামী মো. মারুফ (২১) পালিয়ে যান।
মৃত কাশফি উপজেলার হাইলধর ইউনিয়নের মালঘর বাজার এলাকার কাজী বাড়ির আবদুল জলিলের মেয়ে। তিন ভাই ও চার বোনের মধ্যে তিনি ছিলেন সবার ছোট।
হাসপাতালে মরদেহ ফেলে পালানোর অভিযোগ সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে কাশফিকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে আসেন তার স্বামী মারুফ। চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করার পর মরদেহ জরুরি বিভাগে রেখে কৌশলে হাসপাতাল থেকে সটকে পড়েন তিনি।
কাশফির মৃত্যুর খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে আসেন তার স্বজনরা। পরিবারের অভিযোগ: পরিকল্পিত হত্যার আশঙ্কা পরিবারের দাবি, বিয়ের পর থেকেই কাশফির ওপর নির্যাতন চালানো হতো। তাদের অভিযোগ, এটি আত্মহত্যা নয় বরং পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড হতে পারে, যা আত্মহত্যার নাটক হিসেবে সাজানো হয়েছে।
নিহতের মা শাহীনূর আক্তার কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, “আমার মেয়েটা ছিল খুব আদরের। সে তার স্বামীকে ছাড়া কিছুই বুঝত না। সেই স্বামীই তাকে এভাবে শেষ করে দিল।”
চিকিৎসকের বক্তব্য আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ডা. উপমা চৌধুরী জানান,
কাশফিকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়েছিল এবং তার গলায় দাগ পাওয়া গেছে।
পুলিশি তদন্ত আনোয়ারা থানার ওসি জুনায়েত চৌধুরী জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। ঘটনার পর থেকে স্বামী মো. মারুফ পলাতক রয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
