শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণের সিদ্ধান্ত হবে আদালতের মাধ্যমে
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হবে কি না, সে সিদ্ধান্ত মূলত ভারতের আদালতের বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে হবে বলে জানিয়েছে দেশটির একটি সরকারি সূত্র। রবিবার দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
ভারতীয় এক কর্মকর্তা জানান, শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে বাংলাদেশের অভিযোগগুলো ভারতের আইনেও অপরাধ হিসেবে স্বীকৃত কি না, তা প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণভাবে বিবেচনা করা হবে। একই সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে ঢাকা ও নয়াদিল্লির মধ্যে কূটনৈতিক আলোচনা চলছে।

বাংলাদেশ ইতোমধ্যে শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর জন্য আনুষ্ঠানিক অনুরোধ জানিয়েছে। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, প্রতিষ্ঠিত নিয়ম ও প্রক্রিয়া অনুযায়ী অনুরোধটি পর্যালোচনা করা হচ্ছে।
২০১৩ সালের ভারত-বাংলাদেশ প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী, গুরুতর অপরাধের অভিযোগে অভিযুক্ত বা দণ্ডিত ব্যক্তিকে প্রত্যর্পণের সুযোগ রয়েছে। ভারতের Extradition Act, 1962 অনুযায়ীও প্রয়োজন হলে তদন্ত ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে অভিযোগ ও প্রমাণ যাচাই করা হতে পারে।
শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে বাংলাদেশে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ডের রায় হয়েছে। ২০২৪ সালের জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের পর তিনি ভারত চলে যান এবং এরপর থেকে নয়াদিল্লিতে অবস্থান করছেন বলে জানা গেছে।
তবে শেষ পর্যন্ত তাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হবে কি না, তা নির্ধারণে ভারতের বিচারিক প্রক্রিয়ার পাশাপাশি দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক ও আলোচনাও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
