১২ আগস্টের পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ ঘিরে বিশ্বজুড়ে বাড়ছে মানুষের আগ্রহ। প্রাচীনকাল থেকেই সূর্যগ্রহণ মানুষের মনে ভয়, বিস্ময় ও রহস্য তৈরি করেছে। সময়ের সঙ্গে সেই অনুভূতি জায়গা করে নিয়েছে সাহিত্য, চলচ্চিত্র ও সংগীতেও।
হোমারের ‘দ্য ওডিসি’, মার্ক টোয়েনের ‘এ কানেকটিকাট ইয়ানকি ইন কিং আর্থার্স কোর্ট’, স্টিফেন কিংয়ের ‘ডলোরেস ক্লেবর্ন’ ও **‘জেরাল্ডস গেম’**সহ বিভিন্ন সাহিত্যে সূর্যগ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা বা রূপক হিসেবে এসেছে। আইজ্যাক আসিমোভের ‘নাইটফল’-এও দীর্ঘ অন্ধকারের ভয়াবহতা তুলে ধরা হয়েছে।

চলচ্চিত্রেও গ্রহণের ব্যবহার উল্লেখযোগ্য। ‘বারাব্বাস’, ‘দ্য এক্লিপস’, ‘লেডিহক’, **‘অ্যাপোক্যালিপ্টো’**সহ বিভিন্ন সিনেমায় সূর্যগ্রহণকে রহস্য, অলৌকিকতা, প্রেম কিংবা বিপদের প্রতীক হিসেবে দেখানো হয়েছে।
সংগীতেও এর প্রভাব কম নয়। বনি টাইলারের জনপ্রিয় ‘Total Eclipse of the Heart’ থেকে শুরু করে পিংক ফ্লয়েডের ‘Eclipse’—বিভিন্ন গানে গ্রহণ উঠে এসেছে ভালোবাসা, বিচ্ছেদ, অন্ধকার ও মহাবিপর্যয়ের প্রতীক হিসেবে। ফলে সূর্যগ্রহণ শুধু একটি মহাজাগতিক ঘটনা নয়, বরং দীর্ঘদিন ধরে মানুষের কল্পনা ও সংস্কৃতিরও গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে আছে।
