পরিকল্পিত বিনিয়োগে ফুটবলের নতুন শক্তি হয়ে উঠছে মরক্কো
বিশ্ব ফুটবলের নতুন পরাশক্তি হওয়ার পথে দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে মরক্কো। ২০২২ বিশ্বকাপে প্রথম আফ্রিকান দল হিসেবে সেমিফাইনালে খেলার পর এবারও কোয়ার্টার ফাইনালে উঠে সেই ধারাবাহিকতা ধরে রেখেছে উত্তর আফ্রিকার দেশটি।
রয়্যাল মরক্কান ফুটবল ফেডারেশনের (আরএমএফএফ) সাবেক টেকনিক্যাল অপারেশন ডিরেক্টর নিল ওয়ার্ডের মতে, এই সাফল্য কোনো আকস্মিক ঘটনা নয়; দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ও বিনিয়োগের ফল। রাজা ষষ্ঠ মোহাম্মদের পৃষ্ঠপোষকতায় দেশজুড়ে আধুনিক প্রশিক্ষণকেন্দ্র, ফুটবল একাডেমি, স্টেডিয়াম উন্নয়ন এবং তৃণমূল পর্যায়ে অবকাঠামো গড়ে তোলা হয়েছে।

মরক্কোর বড় শক্তি তাদের প্রবাসী ফুটবলাররাও। ইউরোপে বেড়ে ওঠা মরক্কান বংশোদ্ভূত প্রতিভাদের জাতীয় দলে আনতে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছে ফেডারেশন। বর্তমান বিশ্বকাপ স্কোয়াডের ২৬ জনের মধ্যে ১৯ জনই বিদেশে জন্ম নেওয়া।
তবে শুধু প্রবাসী খেলোয়াড়দের ওপর নির্ভর করতে চায় না মরক্কো। দেশের একাডেমিগুলো থেকেও আন্তর্জাতিক মানের ফুটবলার গড়ে তোলার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে তারা। এরই ধারাবাহিকতায় ২০২৫ সালে অনূর্ধ্ব-২০ বিশ্বকাপ জয়ের সাফল্যও পেয়েছে দেশটি।
২০৩০ সালের বিশ্বকাপের অন্যতম আয়োজক মরক্কো এখন শুধু বড় টুর্নামেন্ট আয়োজনের প্রস্তুতিই নিচ্ছে না, বরং দীর্ঘমেয়াদে বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম শক্তিতে পরিণত হওয়ার লক্ষ্য নিয়েই এগিয়ে যাচ্ছে।
