চট্টগ্রাম বন্দরের অটোমেশন প্রকল্পে কাজ সম্পূর্ণ না করেই কোটি কোটি টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। নথিপত্রে বিভিন্ন অনিয়ম ও অসংগতি পাওয়া গেছে, যা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।
২০১৯ সালের ১৯ মার্চ প্রায় ১৮ কোটি ৭৯ লাখ টাকার একটি চুক্তি হয় ‘কম্পিউটার নেটওয়ার্ক সিস্টেমস লিমিটেড’ (সিএনএস)-এর সঙ্গে, যার মেয়াদ শেষ হয় ২০২৪ সালের মার্চে। তবে অভিযোগ রয়েছে, চুক্তি অনুযায়ী কাজ পুরোপুরি বাস্তবায়ন হয়নি এবং মাঝেমধ্যে বিভিন্ন মডিউলের কার্যক্রম বন্ধ ছিল, ফলে বন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হয়।
নথি অনুযায়ী, নির্ধারিত ৬১ জনের পরিবর্তে ৪১ জন জনবল দিয়ে কাজ চালানো হলেও পূর্ণ বিল দাবি করা হয়। পরে একটি কমিটি কম জনবলের ভিত্তিতে আংশিক বিল পরিশোধের সুপারিশ করে। এছাড়া মেইনটেন্যান্স খাতে তিন বছরে ১১ কোটির বেশি টাকা দাবি করা হয়।

বন্দরসংশ্লিষ্টরা বলছেন, দীর্ঘ সময় অটোমেশন কার্যক্রম আংশিক বা বন্ধ থাকায় আমদানি-রপ্তানিসহ সার্বিক কার্যক্রমে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে।
এ বিষয়ে বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম জানান, বিষয়টি কম্পিউটার বিভাগের সঙ্গে আলোচনা করে বিস্তারিত জানানো হবে।
অন্যদিকে সিএনএস কর্তৃপক্ষ অভিযোগ অস্বীকার করে জানিয়েছে, চুক্তি অনুযায়ী কাজ সম্পন্ন হয়েছে এবং বন্দর কর্তৃপক্ষের অনুমোদন নিয়েই বিল নেওয়া হয়েছে। জনবল ও কার্যক্রম সংক্রান্ত বিষয়গুলোও সংশ্লিষ্ট কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সমন্বয় করা হয়েছে বলে তারা দাবি করেছে।
