এবার বিকাশে ঋণ দিবে সিটি ব্যাংক inbound110302944 Full view

এবার বিকাশে ঋণ দিবে সিটি ব্যাংক

জরুরি অর্থের প্রয়োজনে তাৎক্ষণিকভাবে সিটি ব্যাংকের জামানতবিহীন ডিজিটাল ঋণ মিলবে বিকাশে। দেশে প্রথমবারের মতো কোনো বাণিজ্যিক ব্যাংক, যেকোনো সময় যেকোনো স্থান থেকে মোবাইল ওয়ালেটের মাধ্যমে সঙ্গেই সঙ্গেই ঋণ বিতরণ সেবা চালু করল। প্রাথমিকভাবে একটি পাইলট প্রকল্পের আওতায়, সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত সিটি ব্যাংকের এই ডিজিটাল ঋণ গ্রহণের সুযোগ পাবেন নির্বাচিত সীমিত সংখ্যক বিকাশ অ্যাপ গ্রাহক।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সিটি ব্যাংকের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ও হেড অব পিআর অ্যান্ড মিডিয়া ইয়াহিয়া মির্জা পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বল হয়, ঋণ নেওয়ার পর তিন মাসে, সম-পরিমাণ তিন কিস্তিতে নির্ধারিত তারিখে গ্রাহকের বিকাশ অ্যাকাউন্ট থেকে তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিশোধিত হয়ে যাবে। নির্ধারিত পরিশোধ-তারিখের আগে গ্রাহক এসএমএস এবং অ্যাপ-এর মাধ্যমে এ সংক্রান্ত নোটিফিকেশন পাবেন।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, বিভিন্ন সময়ে অর্থের জরুরি প্রয়োজন মেটাতে এখনো অনানুষ্ঠানিক খাত থেকে উচ্চ সুদে কঠিন শর্তে ঋণ নিতে বাধ্য হন সমাজের নানা স্তরের মানুষ। অনেক ক্ষেত্রেই টাকা যোগাড় করতে না পেরে আরও বড় কোনো ঝামেলায় পড়ে যান তারা। তাছাড়া, আরও অনেক কারণেই ঋণের দরকার হয়। সিটি ব্যাংকের এই ডিজিটাল ঋণ এমন প্রয়োজনগুলো মিটিয়েই প্রান্তিক মানুষ, ব্যবসায়ী, পেশাজীবীসহ সকল শ্রেণির গ্রাহকের জীবনমান উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

পাইলট প্রকল্পে ঋণ পাবার জন্য নির্বাচিত গ্রাহকরা তাদের বিকাশ অ্যাপে ঋণ বা লোন আইকনটি দেখতে পাবেন। ঋণ নিতে গ্রাহককে তার ই-কেওয়াইসি ফরমে (নো-ইয়োর কাস্টমার ফর্ম) বিকাশে দেওয়া তথ্য সিটি ব্যাংককে দেওয়ার সম্মতি দিতে হবে। পরবর্তীতে ঋণের পরিমান এবং নিজের পিন দিয়ে সঙ্গে সঙ্গেই বিকাশ অ্যাকাউন্টে ঋণের টাকা পেয়ে যাবেন।

প্রকল্পটির বিষয়ে সিটি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মাসরুর আরেফিন বলেন, ‘আমরা সবসময়ই গ্রাহকের প্রয়োজনে আরও কাছে থাকার চেষ্টা করি। আমাদের দেশে অনেকেরই, বিশেষত ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের হঠাৎ-ই অর্থের প্রয়োজন হয়। সেটি কিভাবে আরও সহজে তাদের কাছে পৌঁছে দেওয়া যায় এবং তারা যেন স্বাচ্ছন্দ্যে সেই অর্থ ব্যবহার করতে পারেন, সেটি মাথায় রেখেই এই ডিজিটাল ঋণের যাত্রা।’

বিকাশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কামাল কাদীর বলেন, ‘প্রান্তিকসহ সকল শ্রেণির মানুষের জীবনের মানোন্নয়ন এবং আর্থিক অর্ন্তভুক্তিতে আরও জোরালো ভূমিকা রাখতে বিকাশের মত কার্যকর ডিজিটাল আর্থিক প্ল্যাটফর্ম ও বিশাল গ্রাহক ভিত্তিকে ব্যবহার করে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো সৃজনশীল নতুন নতুন সেবা প্রচলন করতে পারে। সিটি ব্যাংকের এই ডিজিটাল ঋণ প্রকল্প তারই একটি উদাহরণ।‘

উল্লেখ্য, সিটি ব্যাংকের এই ডিজিটাল ঋণ গ্রহণকারীরা নিয়মিত ঋণ পরিশোধ করছেন কি না, তা মূল্যায়িত হবে। পরবর্তীতে যেকোনো ধরনের ঋণ প্রাপ্তির ক্ষেত্রেই এই মূল্যায়ন বিবেচিত হবে। কোনো গ্রাহক ঋণ পরিশোধ করতে ব্যর্থ হলে বিধিবিধান অনুসরণে সিটি ব্যাংক ঋণ খেলাপির তথ্য বাংলাদেশ ব্যাংককে অবহিত করবে।
সূত্র দৈনিক চট্টগ্রামের পাতা

Written by Jaynal Abedin

Related Articles

Leave a comment